Jantar Mantar Protest: সিজেপি নেতা অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে মুক্তির নির্দেশ আদালতের

নয়া দিল্লির একটি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত 'ককোরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র শীর্ষস্থানীয় নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাংকাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

CJP leaders Abhijit Dipke, Saurav Das and Ashutosh Ranka (Photo Credits: X/@LiveLawIndia)

নয়াদিল্লির একটি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত 'ককোরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র শীর্ষস্থানীয় নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাংকাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ২৪ ঘণ্টা প্রতিরোধমূলক হেফাজতে (preventive detention) রাখার পর রবিবার (১১ অক্টোবর, ২০২৬) সকালে আদালত তাঁদের মুক্তির এই নির্দেশনামা জারি করে। দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় ওই তিন নেতার আদালত হাজিরা এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, সিজেপির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং আদালতের এই রায়ের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।

বিমানবন্দর থেকে আটক ও আদালতের নির্দেশ

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর (শনিবার) সকালে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিমান অবতরণ করার পরপরই বিমানের আসন থেকেই সরাসরি সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে এবং অন্য দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাংকাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। এরপর প্রায় এক দিন ধরে তাঁদের পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়। রবিবার সকালে তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক তাঁদের ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'এক্স'-এ (আগে বলা হত টুইটার) একটি পোস্টের মাধ্যমে সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিং এই বিচারবিভাগীয় সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আনেন। তিনি জানান, "এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিজিৎ, সৌরভ ও আশুতোষকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে"। থানায় হাজিরার সময় সিজেপির আইনি দলের প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং সমস্ত আইনি পদক্ষেপ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আটকের পটভূমি ও যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ

নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (Special IntensiveRevision - SIR) দাবিতে দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশের আহ্বান জানিয়েছিল সিজেপি। সমাবেশ প্রতিরোধ করতে এবং জাতীয় রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে আগে থেকেই বড় মাপের সুরক্ষামূলক অভিযান শুরু করেছিল দিল্লি পুলিশ। সেই ব্যাপক পুলিশি পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই দিল্লি বিমানবন্দরে পা রাখা মাত্রই আটক হন এই তিন শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

উল্লেখ্য, দিল্লিতে অভিজিৎ দীপকের আটকের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর ঠাকুমার প্রয়াণের মর্মান্তিক খবর সামনে আসে, যা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে গভীর শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

কেন্দ্রীয় দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা ও বর্তমান পরিস্থিতি

শনিবারের এই রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সমগ্র সেন্ট্রাল দিল্লিজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সাময়িকভাবে আটক করার পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক রুটেও পরিবর্তন আনা হয়েছিল। ম্যাজিস্ট্রেটের সাম্প্রতিক আদেশের মাধ্যমে ডিপকে, দাস এবং রাংকার মুক্তি সুনিশ্চিত হওয়ায় সিজেপি আইনি দলের তরফে জানানো হয়েছে যে, সপ্তাহান্তের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আটক হওয়া দলের সমস্ত প্রধান নেতাদের আইনি প্রক্রিয়া এবং মুক্তি সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement