CAA: 'সিএএ ভারতের আভ্যন্তরীন বিষয়, মার্কিন তথ্য ভুল, অযৌক্তিক', আমেরিকাকে পালটা জবাব ভারতের

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন দেশে লাগুর পর বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়, ভারতের সিএএ আইন লাগুর বিষয়ে আমেরিকার কড়া নজর রয়েছে। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে আমেরিকা উদ্বিগ্ন বলেও জানানো হয়।

MEA Spokesperson (Photo Credit: ANI/Twitter)

দিল্লি, ১৫ মার্চ:  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) ভারতের (India)  অভ্যন্তরীন বিষয়। যা নিয়ে আমেরিকার (US) ভাবনার কোনও প্রয়োজন নেই। সিএএ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের উদ্বেগ প্রকাশের পর তা নিয়ে স্পষ্ট জবাব দিল দিল্লি। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ফলে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আগত সংখ্যালঘুরা যাতে নাগরিকত্ব পান, সে বিষয়ে নজর দেবে। ২০১৪ সালের  ৩১ ডিসেম্বরের আগে এই তিন দেশ থেকে যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে সিএএ সাহায্য করবে। এ বিষয়ে আমেরিকার উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলে স্পষ্ট জানান ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

আরও পড়ুন:  CAA: সিএএ নিয়ে কেজরি, মমতা, স্ট্যালিন, বিজয়নদের প্রতিবাদ, ইন্ডিয়া জোটের বিরুদ্ধে পালটা বিক্ষোভে শরণার্থীরা, দেখুন ভিডিয়ো

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন দেশে লাগুর পর বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়, ভারতের সিএএ আইন লাগুর বিষয়ে আমেরিকার কড়া নজর রয়েছে। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে আমেরিকা উদ্বিগ্ন বলেও জানানো হয়।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগুর বিষয়ে আমেরিকার এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই  এবার তার পালটা জাবাব দিল মোদী প্রশাসন। সিএএ ভারতের আভ্যন্তরীন বিষয়। সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই আইনে কারও নাগরিকত্বের অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে না। ফলে মার্কিন স্টেট দফতরের তরফে সিএএ নিয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে,তা ভুল। ভুল তথ্য সমৃদ্ধ হয়েই মার্ককিন প্রশাসনের তরফে ভারতের সিএএ নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে বলে পালটা আক্রমণ করেন রণধীর জয়সওয়াল।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement