Pilot Drug Test: ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ আসায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট বরখাস্ত! ফুকেট-দিল্লি ফ্লাইটে বিপত্তি কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ
ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানের পাইলট-ইন-কমান্ডকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ফ্লাইট শেষে আয়োজিত বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তাঁর শরীরে একটি ‘সাইকোঅ্যাক্টিভ সাবস্ট্যান্স’ (মাদক বা চেতনাযুক্ত পদার্থ)-এর উপস্থিতি ধরা পড়ায় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া তাৎক্ষণিকভাবে এই চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
Pilot Drug Test: ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানের পাইলট-ইন-কমান্ডকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ফ্লাইট শেষে আয়োজিত বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তাঁর শরীরে একটি ‘সাইকোঅ্যাক্টিভ সাবস্ট্যান্স’ (মাদক বা চেতনাযুক্ত পদার্থ)-এর উপস্থিতি ধরা পড়ায় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া তাৎক্ষণিকভাবে এই চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উল্লেখ্য, এই এআই১২৩৭৯ (A12379) বিমানটি উড্ডয়নকালে ওড়িশার আকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এই আকস্মিক ঝাঁকুনি ও উচ্চতা হ্রাসের কারণে বিমানের ভেতরে থাকা একাধিক যাত্রী আহত হন।
ড্রাগ টেস্টে ধরা পড়ার পর কড়া ব্যবস্থা
ফ্লাইটটি অবতরণের পর প্রটোকল অনুযায়ী পাইলটকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মুখোমুখি করা হয়। পরীক্ষা রিপোর্টের ফলাফল হাতে আসতেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে পাইলট বিমানে থাকা অবস্থায় মাদকের প্রভাবে ছিলেন। এর পরপরই টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ ওই পাইলটকে চাকরিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়। এয়ার ইন্ডিয়ার এক মুখপাত্র জানান, উড্ডয়ন নিরাপত্তা, কর্মীদের শারীরিক সুস্থতা এবং সরকারি নিয়মনীতি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংস্থা 'জিরো টলারেন্স' নীতি মেনে চলে। সেই নীতি অনুযায়ীই অভিযুক্ত পাইলটকে অবিলম্বে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ওড়িশার আকাশে কী ঘটেছিল?
ফুকেট থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়া এআই১২৩৭৯ বিমানটি যখন ওড়িশার ওপর দিয়ে অতিক্রম করছিল, তখনই এই মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে। বিমানটি আচমকা ৩০০ ফুট নিচে নেমে গেলে ভেতরে তীব্র ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়, যার ফলে কয়েকজন যাত্রী আঘাত পান। বিমান নিরাপদে অবতরণের পর ঘটনার তদন্ত শুরু হলে পাইলটের মাদক সেবনের বিষায়ক তথ্যটি সামনে আসে।
নিরাপত্তা নীতিতে কোনো আপস নয়
অ্যাভিয়েশন নিয়ামক সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, বিমান চালকদের যেকোনো সময় অলক্ষ্যে বা উড্ডয়ন শেষে শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। চালকদের মাদক বা চেতনা নাশক পদার্থ ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে ঠিক কোন ড্রাগ বা পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, তা প্রকাশ্যে আনেনি এয়ার ইন্ডিয়া। পাইলটদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তা যেভাবে ঝুঁকিতে পড়েছিল, তা নিয়ে বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল।