Surnames: পুরুষরা তাদের স্ত্রীর পদবি ব্যবহার করতে পারবে, অনমুতি শীর্ষ আদালতের

এবার থেকে স্ত্রী-র পদবি ব্যবহার করতে পারবেন স্বামীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষ আদালত এক ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করস, যেখানে পুরুষদের তাদের স্ত্রীর পদবি গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নেলসন ম্যান্ডেলার দেশে আগে কেবল মহিলারা বিবাহের পর স্বামীর পদবি নিতে পারতেন।

Marriage. (Credit: X)

Surnames: এবার থেকে স্ত্রী-র পদবি ব্যবহার করতে পারবেন স্বামীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষ আদালত এক ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করস, যেখানে পুরুষদের তাদের স্ত্রীর পদবি গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নেলসন ম্যান্ডেলার দেশে আগে কেবল মহিলারা বিবাহের পর স্বামীর পদবি নিতে পারতেন। আদালতের এই নতুন রায় বিবাহ-পরবর্তী পদবি গ্রহণে লিঙ্গ সমতার পথ খুলে দিল। এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন এক দম্পতি, যারা দাবি করেন, চলতি আইন তাদের সমতা ও মর্যাদার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করছে। আদালত সর্বসম্মতিক্রমে দম্পতির যুক্তিকে সমর্থন করে।

সুপ্রিম রায়ে বলা হয়, বিবাহ কোনোভাবেই পদবি গ্রহণে ঐতিহ্যগত লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা চাপিয়ে দিতে পারে না। আগে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তকরণ আইন অনুযায়ী কেবল পিতৃতান্ত্রিক নামকরণ প্রাধান্য পেত। পুরুষদের জন্মসূত্রে প্রাপ্ত পদবি রাখতে হতো, বিশেষ অনুমতি ছাড়া পরিবর্তন করা যেত না। নতুন রায়ের ফলে বিবাহ-পরবর্তী পদবি পরিবর্তন পুরুষদের জন্য অনেক সহজ হলো। এটি বিপরীত লিঙ্গের বিবাহ ও সমলিঙ্গের বিবাহ, উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, পদবি হলো ব্যক্তিগত পরিচয় ও পছন্দের বিষয়।

এই পরিবর্তনকে আইন বিশেষজ্ঞরা আধুনিক পারিবারিক কাঠামোর দিকে এক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। সমতার পক্ষে আন্দোলনকারীরাও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই মামলা শুরু হয়েছিল একটি নিম্ন আদালতের রায় থেকে, যা দম্পতির পক্ষে গিয়েছিল। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার আবেদন করলেও, শীর্ষ আদালত সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় অন্য দেশগুলোর পিতৃতান্ত্রিক নামকরণ প্রথাকেও প্রভাবিত করতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকা ফের প্রমাণ করল, তারা সংবিধানের বৈষম্যহীনতার মূল্যবোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement