Sukanta Majumdar: অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা নেই, যৌনকর্মীদের সঙ্গে আইনের তুলনা প্রসঙ্গে মন্তব্য সুকান্ত মজুমদারের
ভবানীপুরের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে যৌনকর্মীদের তুলনা করে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
ভবানীপুরের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে যৌনকর্মীদের তুলনা করে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর এই বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বড়তলা থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। এই নিয়ে রবিবার সকাল থেকেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কারণ একদিকে বীরভূমের তৃণমূল নেতার কয়েকদিন আগেই একটি বিতর্কিত মন্তব্য ভাইরাল হয়েছিল সম্প্রতি। যেখানে তিনি বোলপুর থানার এক পুলিশ আধিকারিকের পরিবার সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং আধিকারিককে হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে সেভাবে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অশালীন মন্তব্যের বিরুদ্ধে তৎপর পুলিশ প্রশাসন।
এফআইআর নিয়ে মন্তব্য সুকান্ত মজুমদারের
এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা নতুন বিষয় নয়। আমাদের বিরুদ্ধে হামেশাই পুলিশে অভিযোগ দায়ের হচ্ছে। রাজ্যে পুলিশ ব্যবস্থার এমনই অবস্থা যে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল যখন রাজ্য পুলিশের এক অফিসারকে নিয়ে কুকথা বলে তখন তাঁকে গ্রেফতার করা হয় না। এদিকে বিজেপির নেতারা কী বলছে, তার দিকে নজর রয়েছে সকলের। এর থেকে পরিস্কার যে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের কী অবস্থা করে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার মতে, পুলিশ যদি নিজের সম্মান বাঁচাতে চায় তাহলে শাসক দলের নেতামন্ত্রীদের কথা শোনা বন্ধ করে দেশের সংবিধান অনুসরণ করে কাজ করা উচিত”।
দেখুন সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য
সুকান্ত মজুমদারের গ্রেফতারি
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার পশ্চিবঙ্গ দিবস পালনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয় দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর এলাকা। বিজেপির রাজ্য সভাপতির নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্রা হওয়ার কথা ছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মভিটে থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাসভবন পর্যন্ত। বিজেপির দাবি, এই মিছিল একাধিকবার আটকানোর চেষ্টা করে কলকাতা পুলিশ। এমনকী কর্মসূচি শেষের পর লন্ডন ফেরত চিকিৎসক রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গ্রেফতার হতে হয় সুকান্তকে।