Electric Mono Car: তেলের দাম বৃদ্ধির জের, ৭০ হাজার টাকায় বৈদ্যুতিক মনো কার বানালেন মেদিনীপুরের বৃদ্ধ

পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য মাত্র ৭০ হাজার টাকা খরচ করে বানিয়ে ফেলেছেন আস্ত একটি বৈদ্যুতিক মনো কার। যা দেখে হতবাক হয়ে পড়েছেন তাঁরা প্রতিবেশীরা।

প্রতীকী ছবি (Photo Credits: Pixabay)

মেদিনীপুর: কয়েক মাস ধরে তেলের দাম (petrol price) বৃদ্ধির জেরে অসুবিধায় পড়েছেন প্রচুর মানুষ। অনেকেই এর জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিকে দায়ী করতে দোষারোপ করছেন। তবে বেশিরভাগই প্রয়োজন ছাড়া গাড়ির ব্যবহার সীমিত করেছেন। এর মাঝেই জানা গেলে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) পশ্চিম মেদিনীপুরের  (West Midnapore)৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ ব্যক্তিগত ব্যবহারের (personal use) জন্য মাত্র ৭০ হাজার টাকা খরচ করে বানিয়ে ফেলেছেন আস্ত একটি বৈদ্যুতিক মনো কার (electric mono car)। যা দেখে হতবাক হয়ে পড়েছেন তাঁরা প্রতিবেশীরা।

সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে-তে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ওই বাসিন্দার নাম শেরাফত আলি। পেশায় কাঠের মিস্ত্রির কাজ করা শেরাফত আগাগোড়াই বাইক ও তার ইঞ্জিনের বিষয়ে উৎসাহী ছিলেন। তবে কয়েক মাস ধরে তেলের দাম বৃদ্ধির জেরে তাঁর বাইকের প্রতি ভালোবাসা ও বাইকে চড়ে ঘোরা অনেকটাই প্রভাবিত হয়েছিল। সংসার চালানোর বাজেটে টান পড়ছিল। এই সমস্যা কীভাবে দূর করবেন তা ভাবতেই ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু, কোথা থেকে শুরু করবেন তা ভেবে উঠতে পারছিলেন না।

অবশেষে একদিন বৈদ্যুতিক মনো কার তৈরির পরিকল্পনা করেন তিনি। তারপর নিজের গ্যারাজে অনেক বছর ধরে সংগ্রহ করা সরঞ্জাম নিয়ে শুরু করে দেন গাড়ি তৈরির কাজ। অবশ্য এর জন্য নিরলস ভাবে অনেক দিন ধরে গবেষণা ও পরীক্ষা চালিয়ে ছিলেন তিনি। অবশেষে বহু পরিশ্রম করে চার সিটের একটি বৈদ্যুতিক মনো কার তৈরি করে ফেলেন শেরাফত আলি। ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্পিড ওঠে গাড়িটিতে। আর একবার চার্জ দিলে একটানা চলতে পারে ১০০ কিলোমিটার।

নিজের তৈরি গাড়ি প্রসঙ্গে শেরাফত বলেন, পেট্রলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে আমাদের মতো মানুষদের পক্ষে গাড়ি নিয়ে কাজের জায়গাগুলিতে যেতে খুব সমস্যা হচ্ছিল। আমি একজন কাঠের মিস্ত্রি হওয়ায় বিভিন্ন জায়গাতে ঘুরে ঘুরে কাজ করতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে অন্য উপায় খোঁজার চেষ্টা করি। আর মনীষীরা যেমন বলেছেন রোম একদিনে তৈরি হয়নি তেমনি আমিও ধীরে ধীরে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চিন্তা করি। তবে গাড়ির তৈরির সরঞ্জাম এখানে পাওয়া যায় না বলে সমস্যা হচ্ছিল। তাই আমি সেগুলো পাঞ্জাব থেকে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করি।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement