Murshidabad Violence: 'হিন্দুদের ঘৃণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়', মুর্শিদাবাদের গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ে আক্রমণ বিজেপির

বামেদের বিরুদ্ধেও তোপ দাগতে দেখা যায় সম্বিত পাত্রকে। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের গোষ্ঠী সংঘর্ষে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের নাম হরগোবিন্দ এলং চন্দন। তাঁরা বামেদের দলের কর্মী ছিলেন। কিন্তু নিজেদের কর্মী হওয়া সত্ত্বেও বামেরা যেমন মুর্শিদাবাদের ঘটনায় ভাবিত নয়, দূরত্ব বজায় রেখেছে তেমনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুর্শিদাবাদ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন সম্বিত পাত্র।

Mamata Banerjee (Photo Credit: File Photo)

দিল্লি, ২১ এপ্রিল:  'হিন্দুদের ঘৃণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।' মুর্শিদাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষ (Murshidabad Violence) নিয়ে এভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তোপ দাগল বিজেপি (BJP)। দিল্লিতে (Delhi) বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সম্বিত পাত্র। সেখানেই তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটাক্ষ এবং আক্রমণ করেন। ওয়াকফ নিয়ে মুর্শিদাবাদে যে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, সেই সংঘর্ষ-পিড়িত এলাকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন যাননি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সম্বিত পাত্র। এরপরই 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদের (Hindus)  ঘৃণা করেন' বলে আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা।

সম্বিত পাত্র (Sambit Patra) আরও দাবি করেন, মুর্শিদাবাদে যা হয়েছে, মুসলিম সম্প্রদায়ের ভাইদের উপর যদি সেই অত্যাচার হত, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখান আন্দোলন করতেন। সেখানে তিনি ক্যাম্প শুরু করে দিতেন বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।

এরপরই বামেদের বিরুদ্ধেও তোপ দাগতে দেখা যায় সম্বিত পাত্রকে। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের গোষ্ঠী সংঘর্ষে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের নাম হরগোবিন্দ এলং চন্দন। তাঁরা বামেদের দলের কর্মী ছিলেন। কিন্তু নিজেদের কর্মী হওয়া সত্ত্বেও বামেরা যেমন মুর্শিদাবাদের ঘটনায় ভাবিত নয়, দূরত্ব বজায় রেখেছে তেমনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুর্শিদাবাদ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন সম্বিত পাত্র। এসবের পাশপাশি যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের নাম হরগোবিন্দ এবং চন্দন বলেই দুই রাজনৈতিক দলের এ হেন দূরত্ব বজায় রাখার পালা শুরু হয়েছে বলেও বিজেপি নেতার তরফে চরম কটাক্ষ করা হয়।

গত ১১ জুলাই মুর্শিদাবাদের সামসেরঞ্জ, সুতী, জঙ্গিপরে উত্তেজনা ছড়ায়। ওয়াকফ বিলের প্রতিবাদে শুরু হয় গোষ্ঠী সংঘর্ষ। যার জেরে গোটা এলাকায় যেমন উত্তেজনা ড়ায়। তেমনি ২ জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। যা নিয়ে তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য রাজনীতি।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement