Taxi vs OYO Videos: ক্যাবের পিছনের সিটে যাত্রীদের ঘনিষ্ট মুহূর্তের ভিডিও পোস্ট চালকের, তোলপাড় নেটপাড়া, নেপথ্যে কি সস্তা ভিউয়ের লোভ
অ্যাপ ক্যাবের পেছনের সিটে বসে থাকা যাত্রীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করে তা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা নতুন করে এক বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, চলন্ত ক্যাবের পিছনের সিটে এক যুগলকে অত্যন্ত ঘনিষ্ট অবস্থায় অলক্ষ্যে ক্যামেরাবন্দি করছেন চালক।
Taxi vs OYO Videos: অ্যাপ ক্যাবের পেছনের সিটে বসে থাকা যাত্রীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করে তা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা নতুন করে এক বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, চলন্ত ক্যাবের পিছনের সিটে এক যুগলকে অত্যন্ত ঘনিষ্ট অবস্থায় অলক্ষ্যে ক্যামেরাবন্দি করছেন চালক। সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট হতেই ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সূত্র ধরে ফের একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ব্যক্তির গোপনীয়তার অধিকার, জনসমক্ষে শালীনতা বজায় রাখা এবং সোশাল মিডিয়ায় 'ভিউ' পাওয়ার প্রতিযোগিতার দ্বন্দ্ব।
ক্যাবে হোটেল!
এর আগেও জুলাই মাসে একটি ঘটনার ভিডিও সামনে এসেছিল, যেখানে গাড়ির ভেতরে যুগলকে ঘনিষ্ট হতে দেখে মাঝরাস্তায় গাড়ি থামিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করেন চালক। "এটি হোটেল রুম নয়, ক্যাব" বলে চিৎকার করতে দেখা যায় তাঁকে। শুধু তা-ই নয়, হায়দরাবাদ বা বেঙ্গালুরুর মতো মেট্রো শহরগুলিতে ক্যাব চালকরা নিজেদের সিটের পেছনে "এখানে প্রেম করা নিষেধ, এটি ওআইও (OYO) নয়" লেখা সতর্কবার্তাও ঝুলিয়ে রাখছেন। পেশাদার কাজের জায়গায় চালকরা স্বাভাবিক স্বাচ্ছন্দ্য দাবি করলেও, যাত্রীদের অজান্তে তাঁদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে নেটপাড়ায় পোস্ট করার অধিকার কতটা বৈধ, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড়সড় আইনি ও নৈতিক প্রশ্ন।
দেখুন ভিডিও
কী বলছেন নেটিজেনরা
ডিজিটাল মাধ্যমের একাংশ মনে করছেন, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা পেশাদার ক্যাবে চলাচলের নির্দিষ্ট শালীনতা বজায় রাখা উচিত এবং এতে ড্রাইভারদের মনোযোগ বিঘ্নিত হতে পারে। তবে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ ও নেটিজেনদের মতে, ড্যাশবোর্ড বা মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে অলক্ষ্যে যাত্রীদের ভিডিও করে ভাইরাল করা চরম অসংবেদনশীলতা এবং গোপনীয়তার অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন। সস্তা জনপ্রিয়তা ও ভিউ পাওয়ার তাগিদে চালকদের এই আচরণ নিয়ে অ্যাপ-ক্যাব সংস্থাগুলির নীতিগত ভূমিকার দিকেও আঙুল তুলছেন নেটপাড়ার বাসিন্দারা।