RBI Home Loan: হোম লোনের নিয়মে বড় বদল, দ্রুত মিলবে সুদের হার কমার সুবিধা

দেশের সাধারণ গৃহঋণ গ্রহীতাদের স্বস্তি দিতে এক বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপের সূচনা করতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)। ফ্লোটিং রেট লোনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের নেওয়া সিদ্ধান্তের সুফল যাতে গ্রাহকদের কাছে দ্রুত পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই নতুন একটি খসড়া নীতি প্রস্তাব করা হয়েছে।

RBI (Photo Credit: File Photo)

RBI Home Loan: দেশের সাধারণ গৃহঋণ গ্রহীতাদের স্বস্তি দিতে এক বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপের সূচনা করতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)। ফ্লোটিং রেট লোনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের নেওয়া সিদ্ধান্তের সুফল যাতে গ্রাহকদের কাছে দ্রুত পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই নতুন একটি খসড়া নীতি প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রস্তাবিত কাঠামোটি নিয়ে ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হতে পারে নতুন নির্দেশিকা।

প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম ও গ্রাহকদের সুবিধা

বর্তমানে বেশিরভাগ ফ্লোটিং রেট হোম লোনের সুদের হার বছরে মাত্র একবার পুনর্বিবেচনা বা রিসেট করা হয়। এর ফলে আরবিআই সুদের হার অর্থাৎ রেপো রেট কমালেও ব্যাঙ্কের তরফে তার সুবিধা পেতে গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো।

প্রস্তাবিত নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, ফ্লোটিং রেট লোনের সুদের হার প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার পুনর্বিবেচনা বা রিসেট করতে হবে। রেপো রেট লিঙ্কড হোম লোনের ক্ষেত্রে গ্রাহকেরা এই নিয়মে সরাসরি উপকৃত হবেন। অর্থাৎ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সুদের হার কমালে গ্রাহকের ইএমআই (EMI) কমার সুবিধা আগের চেয়ে অনেক দ্রুত কার্যকর হবে। তবে একই সঙ্গে সুদের হার বাড়লে তার প্রভাবও একইভাবে দ্রুত পড়বে। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ঋণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং চুক্তিপত্রেই বেঞ্চমার্ক ও তা পরিবর্তনের সময়সীমা স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে।

পার্সোনাল বা অটো লোনে কী প্রভাব পড়বে?

এই নতুন নিয়ম মূলত ফ্লোটিং রেট বা পরিবর্তনশীল সুদের হারের ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা সাধারণ গৃহঋণে বেশি দেখা যায়। অন্যদিকে অধিকাংশ পার্সোনাল লোন (ব্যক্তিগত ঋণ) বা অটো লোন নির্দিষ্ট সুদের হারে (ফিক্সড রেট) নেওয়া হয়ে থাকে। তাই আগে থেকে নেওয়া পার্সোনাল লোনের ইএমআই-তে এই নিয়মের ফলে কোনো পরিবর্তন আসবে না। এ ছাড়া প্রস্তাবিত খসড়ায় বলা হয়েছে, ব্যাঙ্কের মার্জিন বা স্প্রেডের ক্রেডিট-বহির্ভূত অংশটি তিন বছরের জন্য স্থির রাখতে হবে।

পুরনো ঋণগ্রহীতাদের কী করণীয়?

যাঁরা ইতিমধ্যেই গৃহঋণ চালাচ্ছেন, তাঁদের এখনই চিন্তিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৯ সালের ১ এপ্রিলের মধ্যে পুরোনো সমস্ত ফ্লোটিং রেট লোনকে পর্যায়ক্রমে এই নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। এই স্থানান্তরের জন্য ব্যাঙ্কের তরফ থেকে গ্রাহকের লিখিত সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই পরিবর্তনের জন্য ব্যাঙ্ক গ্রাহকের থেকে অতিরিক্ত কোনো ফি বা চার্জ আদায় করতে পারবে না, এবং শুধুমাত্র নিয়ম পরিবর্তনের অজুহাতে সুদের হার বাড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement