Get rid from hand skin ageing: হাতের ত্বক বুড়িয়ে যাচ্ছে? মেনে চলুন এই নিয়মগুলি। হাতের ত্বক হবে টানটান

আবহাওয়া এবং সঠিক যত্নের অভাবে হাতের চামড়া গুটিয়ে যায় বা কুকড়ে যায়। এর পাশাপাশি কালচে বা রং পরিবর্তন হয়ে যায় । আমরা সাধারণত সৌন্দর্যের দিকে নজর দিই, কিন্তু নজর দেওয়া হয় না হাতের চামড়ার দিকে। হাতের চামড়া নষ্ট হলে বয়সের ছাপ চলে আসে। তার জন্য কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করা দরকার।

আবহাওয়া এবং সঠিক যত্নের অভাবে হাতের চামড়া গুটিয়ে যায় বা কুকড়ে যায়। হাতের ত্বক অকালে বুড়িয়ে যায়। এর পাশাপাশি  কালচে বা রং পরিবর্তন হয়ে যায় । আমরা সাধারণত সৌন্দর্যের দিকে নজর দিই, মুখের ত্বক যাতে নষ্ট না  হয় এবং তার জন্য বিভিন্ন রকম যত্ন নেওয়া হয়, পরিচর্যা করা হয়। কিন্তু নজর দেওয়া হয় না হাতের চামড়ার দিকে।  হাতের চামড়া নষ্ট হলে বয়সের ছাপ চলে আসে  । তাই চামড়া টানটান রাখতে হবে ।  কোন রকম দাগ  দূর করতে হবে । তার জন্য কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করা দরকার।

প্রথমত, দিনে একাধিকবার হাইড্রেশন অত্যন্ত জরুরি। শুধু মুখের ত্বক নয়, হাতও শুষ্কতা ও পরিবেশগত দূষণের কারণে দ্রুত বুড়িয়ে যেতে পারে। প্রতিদিন ঠিক সময়ে হাত ধোয়ার পর তৎক্ষণাৎ একটি ভালো মানের হ্যান্ড লোশন কিংবা ক্রিম দিয়ে মসৃণ করে নিন। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং শুষ্কতা কমে যায়। সঠিক হাইড্রেশন ছাড়াও, হাতের ত্বকে থাকা ক্ষতিকারক ফ্রি র‌্যাডিক্যালস থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ক্রিম বেছে নিতে পারেন।

দ্বিতীয়ত, রোজকার রুটিনে সানস্ক্রিন ব্যবহার করাটাও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমাদের হাত প্রতিদিন বিভিন্ন পরিবেশে ও সূর্যের তেজস্ক্রিয় রশ্মির সংস্পর্শে আসে। তাই, বাইরে বের হওয়ার আগে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট আগে হ্যান্ড সানস্ক্রিন লাগানো ভালো। এটি শুধুমাত্র ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করে না, বরং ত্বকের বার্ধক্য ধীর করতেও সহায়ক।

তৃতীয়ত, নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন। হাতের ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ দূর করতে অল্প পরিমাণে ন্যাচারাল স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েটিং ক্রিম সাহায্য করে। এতে করে নতুন কোষ উঠে আসে এবং ত্বক দেখতে উজ্জ্বল ও তরতাজা মতো হয়। তবে বেশি রকম বা অতি শক্ত এক্সফোলিয়েশন হাতের ত্বককে নষ্ট করতে পারে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

চতুর্থত, জীবনযাত্রায় খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনও হাতের ত্বকের যত্নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পরিমাণে ফল, সবজি, এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খেলে ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় থাকে। এ ছাড়াও, পর্যাপ্ত জল পান হাতের ত্বকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সবশেষে, হাতকে অতিরিক্ত কাজ ও পরিবেশগত চাপ থেকে রক্ষা করতে মাঝে মাঝে বিশ্রাম দেওয়ার সময়ও অত্যন্ত জরুরি। গরমকালে বা শীতকালে বিশেষ থেরাপিউটিক মাসাজ এবং আর্দ্রতার ক্রিম ব্যবহারের মাধ্যমে হাতকে সুস্থ ও কম্প্যাক্ট রাখা সম্ভব। এই সব সহজ ও প্রাকৃতিক পন্থা অনুসরণ করলে, হাতের ত্বক সতেজ ও যুবতী দেখাবে

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement