CPIM General Secretary M.A. Baby: প্রয়াত ইয়েচুরির জায়গায় সিপিএমের সিংহাসনে কেরলের এমএ বেবি
সিপিআই(এম)-এর পরবর্তী সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন কেরেল র প্রাক্তন মন্ত্রী এমএ বেবী (M A Baby)। গত বছর সেপ্টেম্বরে সীতারাম ইয়েচুরির মৃত্যুর পর মাস ছয়েক ধরে এই পদ খালি ছিল।
মাদুরাই, ৬ এপ্রিল: সিপিআই(এম)-এর পরবর্তী সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন কেরলের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এম.এ. বেবী (M A Baby)। গত বছর সেপ্টেম্বরে সীতারাম ইয়েচুরির মৃত্যুর পর মাস ছয়েক ধরে এই পদ খালি ছিল।নাম্বোদিরিপাদের মত কেরলের দ্বিতীয় নেতা হিসেবে সিপিএমের সর্বোচ্চ পদে বসলেন বেবী। তিনিই প্রথম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতা যিনি সিপিআইএম-তে সর্বভারতীয় স্তরে নেতৃত্ব দেবেন। ৭০ বছরের এমএ বেবী-কে পার্টির সাংস্কৃতিক মুখ হিসেবে মনে করা হয়। দেশের এমার্জেন্সির সময় জেল খাটা এমএ বেবী এসএফআই, ডিওয়াইএফআই-য়ের সর্বভারতীয় সভাপতি ছিলেন।
দেশের এমার্জেন্সির সময় জেল খাটেন
১৯৫৪ সালের ৫ এপ্রিল কেরলের কোলাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এমএ বেবী। ছাত্র রাজনীতিতে ঝড় তোলেন। কেরলের প্রাক্তন মন্ত্রী মারিয়াম আলেকজান্ডার বেবী দলের ছাত্র সংগঠন এসএফআই থেকে রাজনীতি শুরু করে দলের সর্বোচ্চস্তরের নেতা হলেন। রবিবার তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে শেষ হওয়া ২৪তম পার্টি কংগ্রেসের শেষ দিনে এমএ বেবীর নাম দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রকাশ কারাট, বৃন্দা কারাট ও কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের পছন্দের নেতা এমএ বেবী দলে তরুণ নেতা-নেত্রী, কর্মী তুলে আনতে চান। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পলিটব্যুরোর ১৬জন সদস্যের মধ্যে বেবীকে চাননি পশ্চিমবঙ্গের নেতা মহম্মদ সেলিম।
সিপিএমের নয়া সর্বভারতীয় সম্পাদক এম.এ.বেবী
সেলিমদের পছন্দের অশোক ধাওয়ালে দলের সর্বোচ্চ পদ পেলেন না
বেবীর পরিবর্তে সিপিএমের একটা অংশ পার্টির প্রধান (সাধারণ সম্পাদক) পদে চেয়েছিলেন কৃষক নেতা অশোক ধাওয়ালে-কে।
কে এই এম.এ.বেবী
মাত্র ৩২ বছর বয়েসে রাজ্যসভার সাংসদ হন। ১৯৯৯ সালে সিপিআই (এম)-এর সেন্ট্রাল কমিটিতে ঠাঁই পান। তবে যত দ্রুত পার্টিতে উত্থান হয়েছিল, পিনরাই বিজয়, কোদিয়াইয়ারি বালাকৃষ্ণ, এমভি গোবিন্দন-দের মত নেতাদের উত্থানের পর কেরলের রাজনীতিতে বেবী অনেকটা পিছনে পড়ে যান। ২০০৬ থেকে ২০১১ পর্যন্ত কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতদানন্দের মন্ত্রিসভায় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন বেবী। ২০১২ সালে সিপিএমের পলিটব্যুরোতে জায়গা পান তিনি। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর কিছু নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে জোর বিতর্ক হয়েছিল।