By-Poll Election Results: আজ দেশের চার রাজ্যের পাঁচ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা, সকাল থেকে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে গণনা শুরু
পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট এবং কেরালার পাঁচটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, পাঁচটি বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭০% পর্যন্ত পৌঁছেছে।কেরালার নীলাম্বুরে (৩৫) সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে ৭৩.২৬%, তার পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের কালীগঞ্জে (৮০) ৭২.০৫%। গুজরাটে, বিসাবাদরে (৮৭) ৫৬.৮৯%, কাদিতে (২৪) তুলনামূলকভাবে কম ভোট পড়েছে ৫৭.৯০%। পাঞ্জাবের লুধিয়ানা পশ্চিমে (৬৪) পাঁচটি আসনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোট পড়েছে ৫১.৩৩%।
আজ প্রতিটি কেন্দ্রে ফল ঘোষণা। সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়েছে গণনার কাজ। কেরালা মালাপ্পুরমে নীলাম্বুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ভোট গণনার আগে গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
একটি গণনা কেন্দ্রের বাইরের দৃশ্য-
পাঞ্জাবের লুধিয়ানা পশ্চিম আসনে উপনির্বাচনের আজ ফল ঘোষণা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বর্তমান আপ বিধায়ক গুরপ্রীত বাসি গোগির অকাল মৃত্যুর পর এই ভোটগ্রহণ জরুরি হয়ে পড়ে । উপ নির্আবাচনে আপ রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জীব অরোরাকে প্রার্থী করেছিল। বিজেপি প্রবীণ নেতা জীবন গুপ্তকে এবং কংগ্রেস প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী ভারত ভূষণ আশুকে প্রার্থী করেছিল।
লুধিয়ানা পশ্চিম উপনির্বাচনের গণনা কেন্দ্র, লুধিয়ানার খালসা কলেজ ফর উইমেনের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে; ভোট গণনা শুরু হয়েছে সকাল ৮টা থেকে।
লুধিয়ানার খালসা কলেজ ফর উইমেনের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার
তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে ফাঁকা হওয়া কালীগঞ্জে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের একত্রিত করার লক্ষ্যে প্রাক্তন বিধাতকের মেয়ে আলিফা আহমেদকে প্রার্থী করেছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিদ্বন্ধী বিজেপি আশীষ ঘোষকে এবং অন্যদিকে কংগ্রেস-বাম জোট কাবিল উদ্দিন শেখকে প্রার্থী করেছে।
গুজরাটের কাদি এবং বিসাবাদরেও গত বৃহস্পতিবারে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কাদিতে, বিজেপি বিধায়ক করসনভাই সোলাঙ্কির মৃত্যুর পর আসনটি শূন্য হয়ে যায়। নির্বাচনে বিজেপি রাজেন্দ্র চাভদাকে প্রার্থী করেছে, কংগ্রেস রমেশ চাভদাকে প্রার্থী করেছে এবং আপ জগদীশ চাভদাকে প্রার্থী করেছে।
বিসাবাদরের বর্তমান বিধায়ক ভায়ানি ভূপেন্দ্রভাই আপ থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপি এখন কিরীট প্যাটেলকে প্রার্থী করেছে, অন্যদিকে কংগ্রেস নীতিন রানপারিয়াকে প্রার্থী করেছে। আপ বিশিষ্ট দলের নেতা গোপাল ইতালিয়াকে প্রার্থী করেছে। লড়াইটি ত্রিমুখী হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে স্থানীয় গতিশীলতা এবং দলত্যাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কেরালা: নীলাম্বুর বহুমুখী প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে
নিলাম্বুরে, কেরালার পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের এক বছরেরও কম সময় আগে উপনির্বাচন হয়েছিল। আসনটি পিভি আনোয়ারের দ্বারা খালি হয়েছিল, যিনি বামপন্থীদের সমর্থন নিয়ে দুবারের বিজয়ী ছিলেন এবং পরে কংগ্রেসের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে অবশেষে নির্দল হিসেবে নির্বাচনে নামেন।
কংগ্রেস প্রাক্তন বিধায়ক আর্যদান মোহাম্মদের ছেলে আর্যদান শৌকতকে প্রার্থী করেছে, অন্যদিকে ক্ষমতাসীন এলডিএফ এম. স্বরাজকে তাদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। আনোয়ারের প্রার্থীতা, যা প্রথমে টিএমসির ব্যানারে প্রচারিত হয়েছিল, প্রতিযোগিতায় একটি অপ্রত্যাশিত মাত্রা যোগ করেছে। নীলাম্বুর, যা বর্তমানে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রের দখলে থাকা ওয়ানাড লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে পড়ে, উভয় জোটের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ আসন হয়ে উঠেছে।
পাঁচটি আসনের ভোট গণনা ২৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে।