Narendra Modi Paper Leak: প্রশ্নফাঁস (Paper Leak) কাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় এবং ছাত্র-আন্দোলনের মুখে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, প্রশ্নফাঁস রুখতে সরকার একাধিক কড়া পদক্ষেপ করেছে এবং শুক্রবারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠকেই আরও কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা ঘোষণা করা হতে পারে।
"লাখ লাখ পরীক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের যন্ত্রণা বুঝি"
বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া বিশেষ ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনও সাধারণ ঘটনা বা সাধারণ বিষয় নয়। এর ফলে লাখ লাখ ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের পরিবার চরম যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে দিন কাটান। সেই কারণেই গত আড়াই মাসে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।"মোদী আরও যোগ করেন, "এই চক্রে জড়িত অপরাধীদের ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল শিক্ষার্থীদের যেন একটা শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয় তা নিশ্চিত করা। সেই কারণে দ্রুত পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।"
প্রতিবাদ ও দিল্লি হাইকোর্টের পদক্ষেপ
প্রসঙ্গত, গত কয়েক দিন ধরেই নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বোরো আকারে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে ব্যাঙ্গার্থক রাজনৈতিক দল ‘ককোরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। এই ছাত্র আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে বিরোধী দলগুলিও। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এক দিনেই দু'-দু'বার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। অন্য দিকে, বৃহস্পতিবারই দিল্লি হাইকোর্ট একটি বড় নির্দেশ জারি করেছে। প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ 'ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট' (Fast-Track Court) গঠনের কথা ঘোষণা করেছে আদালত।
কেন বাড়ছে উদ্বেগ?
গত কয়েক মাসে পরপর বেশ কিছু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম অসন্তোষ। আইনি পদক্ষেপের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি আরও কড়া শাস্তির দাবি উঠেছে নানা মহল থেকে। কেন্দ্র জানিয়েছে, দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষ ও ভবিষ্যত সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। শুক্রবারের ক্যাবিনেট বৈঠকে কী কী নতুন নিয়ম বা পদক্ষেপ আসে, এখন সে দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।