Suvendu Adhikari (Photo Credit: X/PTI)

Annapurna Bhandar: রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চালু হয়েছিল সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। প্রথম দফায় আবেদন জানানোর পর বহু মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সফলভাবে জমা পড়েছিল আর্থিক সহায়তার তিন হাজার টাকা। পরপর দুই মাস টাকা পেলেও আগস্ট মাসে এখনও অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা না হওয়ায় ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে উপভোক্তাদের মনে। প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেল কি না তা নিয়ে নানা চর্চা শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

হঠাৎ কেন স্থগিত রাখা হলো ভাতা বিতরণ

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে প্রকল্প চালুর শুরুর দিকে সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত সুবিধা পৌঁছে দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে নথিপত্র কড়াভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে পরবর্তীতে দেখা যায় কিছু অযোগ্য আবেদনকারীর কাছেও প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে গেছে। সরকারি তহবিলের অপচয় রুখতে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতে বর্তমানে নথিপত্র পুনর্নিরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। আধিকারিকরা ফিল্ড ভেরিফিকেশন বা সরেজমিনে তদন্ত চালাচ্ছেন যার কারণে আপাতত পোর্টাল বা স্ট্যাটাসে আন্ডার এনকোয়ারি দেখাচ্ছে।

যাদের নাম বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে

১) ভুল তথ্য সরবরাহ আবেদনপত্রে ভুল আয় বয়স বা পারিবারিক তথ্য জমা দিলে নাম বাতিল করা হতে পারে।

২) আয়কর দাতা আবেদনকারী বা তাঁর পরিবার আয়করের আওতায় থাকলে এই সুবিধা পাওয়া যাবে না।

৩) অন্যান্য সরকারি সুবিধা সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী পরিবারের সদস্যরা এই তালিকার বাইরে থাকবেন।

৪) ব্যাঙ্ক বা আধারের অসংগতি অ্যাকাউন্ট নম্বর আইএফএসসি কোড বা আধার কার্ডের বানানে গরমিল থাকলে ভেরিফিকেশন আটকে যেতে পারে।

পূর্বে কোনো ভুল তথ্যের ভিত্তিতে টাকা পেয়ে থাকলেও পুনর্নিরীক্ষায় অসঙ্গতি ধরা পড়লে পরবর্তী কিস্তির টাকা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

প্রকৃত উপভোক্তাদের চিন্তার কারণ নেই

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যাঁদের জমা দেওয়া সমস্ত নথিপত্র নির্ভুল এবং নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তাঁদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রশাসনিক স্তর থেকে ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া মাত্রই যোগ্য আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে বকেয়া অর্থ জমা করে দেওয়া হবে।