Kangana Ranaut In Parliament (Photo Credit: ANI/X)

Kangana Ranaut Effigy Viral Video: উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউ থেকে এক বিরল ও নাটকীয় দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। হিমাচল প্রদেশের মান্ডির বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদে যখন কংগ্রেস কর্মীরা তাঁর একটি বিশালাকার কুশপুতুল পোড়ানোর চেষ্টা করছিলেন, ঠিক তখনই নাটকের মোড় ঘোরে। আগুনে ছাই হওয়ার আগেই অত্যন্ত তৎপরতার সাথে এক ইউপি পুলিশ ইন্সপেক্টর সেই পুত্‌লা কেড়ে নিয়ে দৌড় দেন! ঘটনার ভিডিওটি মুহূর্তেই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

ঠিক কী ঘটেছে লখনউয়ের রাস্তায়?

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদর দফতরের বাইরে, লখনউয়ের মল এভিনিউ মোড়ে। সেখানে কংগ্রেসের মহিলা ও যুব শাখা যৌথভাবে বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াতের একটি কুশপুত্তলিকা তৈরি করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল। স্লোগান ও হট্টগোলের মাঝে কর্মীরা যখন পুত্‌লাটিতে আগুন ধরিয়ে দেন, ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানে কর্তব্যরত এক পুলিশ ইন্সপেক্টর একমুহূর্ত দেরি না করে জলন্ত ও জ্বলন্ত-প্রায় পুত্‌লাটি কেড়ে নিয়ে রাস্তার উল্টো দিকে দৌড়ে চলে যান। কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশ কর্মকর্তার এমন অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপে সম্পূর্ণ হতবাক হয়ে পড়েন। ইন্সপেক্টরের এই সাহসিকতা বা 'নাটকীয় পদক্ষেপের' মাধ্যমে কুশপুতুল-টি পুরোপুরি ভস্মীভূত হওয়া থেকে বেঁচে যায়।

দেখুন ভিডিও

কেন এই প্রতিবাদ আন্দোলন?

সম্প্রতি কঙ্গনা রানাওয়াত সামাজিক মাধ্যমে তরুণ সমাজের জীবনযাত্রা নিয়ে এক মন্তব্য করেন, যেখানে তিনি বিতর্কিতভাবে "জেনারেশন গটার" শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা। উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের মহিলা শাখা অভিযোগ করে, কঙ্গনার এমন বক্তব্য ভারতের নারী সমাজ ও কন্যাসন্তানদের প্রতি চরম অপমানজনক। এই দাবির মুখেই সাংসদের ক্ষমা প্রার্থনার দাবিতে উত্তরপ্রদেশ জুড়ে বিক্ষোভ শুরু করে কংগ্রেস।

নেটপাড়ায় প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক

সাংবাদিক পীযূষ রাই এক্স-এ এই ভিডিওটি প্রথম পোস্ট করার পর তা ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনদের মধ্যে ভিডিওটি নিয়ে দুই রকমের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে: প্রশংসা: একাংশের মতে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং প্রকাশ্য রাস্তায় অগ্নিসংযোগ বা বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে ইন্সপেক্টর সঠিক ও সাহসিকতাপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সমালোচনা: অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের সমর্থকরা এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক স্বাধীনতায় পুলিশের হস্তক্ষেপ এবং 'অতিরিক্ত অতিসক্রিয়তা' বলে কটাক্ষ করেছেন।