Delhi CJP Protest: দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে ট্রেন ও মেট্রো বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে কটাক্ষ আরশোলাদের
আগামী ১০ অক্টোবর, রবিবার যন্তর মন্তরে দলের পরিকল্পিত বিক্ষোভের আগে ট্রেন পরিষেবা বাতিল এবং দিল্লি মেট্রোয় কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতা অভিজিৎ দিপক।
Delhi CJP Protest: আগামী ১০ অক্টোবর, রবিবার যন্তর মন্তরে দলের পরিকল্পিত বিক্ষোভের আগে ট্রেন পরিষেবা বাতিল এবং দিল্লি মেট্রোয় কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতা অভিজিৎ দিপক। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে অভিজিৎ দিপক, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানাকা পরিবহণ বিধিনিষেধের কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং প্রস্তাবিত বিক্ষোভের ওপর সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
কার্যত দুর্গ রাজধানী, কী কী ব্যবস্থা
রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করার মধ্যেই এই রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ভারতীয় রেল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন বাতিল করেছে এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC) ৫৭টি স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান গেট বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশ এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে। অবশ্য পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা নিয়ন্ত্রিতভাবে সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
দেখুন ভিডিও
Get well soon paw-paw https://t.co/48w6eyzKXH
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) October 9, 2026
অভিজিৎ দিপক ও সৌরভ দাসের তোপ
ভিডিওতে অভিজিৎ দিপক কটাক্ষের সুরে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে "৫৬ ইঞ্চির মহামানব জী" বলে সম্বোধন করেন। তিনি ট্রেন পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে স্পষ্ট করেন যে সমস্ত বাধা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা উপস্থিত হবেন। তিনি বলেন, *“কোই বাত নহি স্যার... (কোনো ব্যাপার নয় স্যার, কাল আমরা আসছি), সি ইউ টুমরো।”
কী বললেন আরশোলাদের নেতারা
অন্যদিকে, সৌরভ দাস এই বিধিনিষেধের তুলনা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলের জরুরি অবস্থার সঙ্গে টেনে এনে দাবি করেন, সেই চরম পরিস্থিতিতেও এমনভাবে রেল বন্ধ করা হয়নি। তিনি দিল্লির সমস্ত কড়াকড়িকে কার্যত 'বন্ধ'-এর সমতুল্য বলে মন্তব্য করেন। আশুতোষ রানাকা প্রশ্ন তুলে বলেন, বিরোধীরা এবং সমালোচকরা দাবি করেছিলেন এই বিক্ষোভে নাকি লোকই হবে না। যদি সত্যিই তাই হয়, তবে কেন এত ব্যাপক বিধিনিষেধের প্রয়োজন পড়ল?
কেন বাতিল একাধিক ট্রেন?
ভারতীয় রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ১০ অক্টোবর ভোর ৪টে থেকে দুপুর ২টোর মধ্যে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা থাকা নির্দিষ্ট কিছু মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্য তীব্র যানজট এড়াতেই এই পদক্ষেপ। তবে এটি সারাদেশে রেল বন্ধের সিদ্ধান্ত নয়, কেবল রাজধানীর নির্দিষ্ট স্টেশনের ওপর প্রযোজ্য।
৫৭টি মেট্রো স্টেশনে গেট বন্ধ
ডিএমআরসি জানিয়েছে, ৯ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ৫৭টি স্টেশন গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের অনুরোধের পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যাতে নিরাপত্তার স্বার্থে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
প্রভাবিত স্টেশন: রাজীব চক, নয়াদিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, কাশ্মীরি গেট, প্যাটেল চক, মান্ডি হাউস, আইটিও এবং সুপ্রিম কোর্ট।
ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা: নয়াদিল্লি স্টেশন ব্যতীত প্রায় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারচেঞ্জ স্টেশনে পরিবর্তনের সুযোগ চালু থাকছে।
বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ
১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে CJP-র আন্দোলনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। নির্ধারিত ১০ দিন আগের পরিবর্তে ৭ অক্টোবর আবেদন জমা দেওয়া, পূর্বের আন্দোলনে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এবং জনসুরক্ষাকেই কারণ হিসেবে দর্শানো হয়েছে। এছাড়া নয়া দিল্লি জেলা জুড়ে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। তবে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও CJP নেতারা তাঁদের দাবিতে অনড়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) অনিয়ম নিয়ে জবাবদিহির দাবিতে এই আন্দোলন ডেকেছে দলটি। বিধিনিষেধ বনাম রাজনৈতিক অধিকার—দুইয়ের সংঘাত ঘিরে এখন উত্তপ্ত দিল্লির রাজনীতি।
(The above story first appeared on LatestLY on Oct 09, 2026 07:12 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

