Satkhira-4 MP Viral Video Controversy: ব্যক্তিগত ঘরের সিসিটিভি ফুটেজ সমাজমাধ্যমে ফাঁস হতেই শোরগোল বাংলাদেশ রাজনীতিতে। তোলপাড়ের কেন্দ্রে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামির সংসদ সদস্য (এমপি) জিএম নজরুল ইসলাম। একটি গোপন কক্ষে জনৈক তরুণীর সঙ্গে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নেটপাড়ায় জল্পনা চরমে উঠতেই শেষমেশ নীরবতা ভাঙলেন সাংসদ নিজেই। তাঁর দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে যাঁকে দেখা যাচ্ছে, তিনি তাঁরই আইনসম্মত দ্বিতীয় স্ত্রী। সোমবার রাতে নেটমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিতর্কিত ওই ভিডিয়ো। রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হতেই মঙ্গলবার সকালে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন জামায়াত সাংসদ।
'চক্রান্ত করে ভিডিয়ো প্রকাশ', দাবি সাংসদের
ফেসবুক বার্তায় জিএম নজরুল ইসলাম জানান, ফুটেজে দৃশ্যমান তরুণীর নাম মরিয়ম বেগম। পারিবারিক সম্মতিক্রমেই গত ১৭ জুন তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সংসদ সদস্যের অভিযোগ, এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করতে পরিকল্পিত চক্রান্ত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, নিজের কাকা ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে তাঁর নতুন শ্বশুর মাসুম বিল্লাহর দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিবাদের জেরে প্রতিশোধ নিতেই ওই গোপন ভিডিয়ো সিসিটিভি থেকে চুরি করে ফাঁস করা হয়েছে। প্রাইভেসিতে আঘাত হানার কারণে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এক নজরে ঘটনা
মূল ঘটনা: ঘরোয়া সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁসের পর সাংসদের আত্মপক্ষ সমর্থন। সাংসদের দাবি: ১৭ জুন পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছেন দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে। অভিযোগ: কাকা ও শ্বশুরের ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে চক্রান্ত করে প্রাইভেসিতে আঘাত।
সাংসদের পাশে দল, সত্যতা নিশ্চিত করল জামায়াত
বিতর্ক দানা বাঁধতেই এগিয়ে এসেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামি নেতৃত্ব। সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে ভিডিয়োর তরুণী সাংসদের দ্বিতীয় স্ত্রী। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, জামায়াত নেতারা সাংসদের প্রথম স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন।
কী বলছেন প্রথম স্ত্রী
প্রথম স্ত্রীও স্বীকার করেছেন যে দুই পরিবারের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। বয়সজনিত ফারাকের কারণে শুরু থেকেই বিষয়টি প্রচারের আড়ালে রাখা হয়েছিল, তবে বিয়ের পর থেকেই তাঁরা একসঙ্গে সংসার করছেন বলে জানানো হয়েছে।