Photo Credits: Wikimedia Commons and FB

DA Arrears Update:  রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি এবার গ্রান্ট-ইন-এইড (Grant-in-Aid) সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) মেটানো নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলা সংক্রান্ত একটি ৮৮ পাতার হলফনামা পেশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেই রিপোর্টের অন্তর্ভুক্ত ১৮ পাতার একটি 'স্ট্যাটাস রিপোর্ট'-এর নির্দিষ্ট তথ্য গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের হলফনামায় কী জানিয়েছে রাজ্য?

জমা দেওয়া স্ট্যাটাস রিপোর্টের ১০ নম্বর পাতার শেষ অনুচ্ছেদে একটি বিশেষ আদেশের (998-F(P2)) কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে রাজ্যের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শীর্ষ আদালতের নথিতে নথিভুক্ত হলো। যদিও সুপ্রিম কোর্টের মূল রায় সরাসরি গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল না, তবুও সমতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার নিজ উদ্যোগেই এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বকেয়া মেটাতে কত কোটি টাকা বরাদ্দ?

সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা হলফনামায় ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া মেটানোর জন্য প্রায় ১১,৯৮৩ কোটি টাকা মোট আনুমানিক বাজেট ধরা হয়েছে (১০০% AICPI নিউট্রালাইজেশন হিসেব অনুযায়ী)।

আর্থিক বরাদ্দের মূল হিসাব:

২০১৬ - ২০১৯ (কর্মরত কর্মী): ডিএ বকেয়া বাবদ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৫,১৮৪ কোটি টাকা।

২০১৬ - ২০১৯ (পেনশনভোগী): ট্রেজারি থেকে পেনশন পাওয়া প্রাক্তন কর্মীদের ডিআর বকেয়ার জন্য বরাদ্দ ২,২৭৫ কোটি টাকা।

২০০৮ - ২০১৫ (কর্মরত কর্মী): কর্মরত কর্মীদের বকেয়া হিসেবে ধার্য করা হয়েছে ৩,০৫০ কোটি টাকা।

২০০৮ - ২০১৫ (পেনশনভোগী): প্রাক্তন পেনশনভোগীদের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ১,১৭৪ কোটি টাকা।

ডিজিটালাইজেশন ও স্বস্তির হাওয়া

রাজ্য সরকারের এই লিখিত পদক্ষেপে খাতায়-কলমে এটা স্পষ্ট যে গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের দাবিকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, বকেয়া হিসাব নিখুঁত ও দ্রুত করার লক্ষ্যে WBIFMS পোর্টালে ই-সার্ভিস বুক আপডেটের কাজ জোরকদমে চলছে। ফিজিক্যাল সার্ভিস বুক থেকে তথ্য ডিজিটালাইজ করার কাজ শেষ হলেই বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।