Akola Train Viral Video: প্রকাশ্যে কিংবা চলন্ত ট্রেনে মহিলাদের উত্ত্যক্ত বা হেনস্থা করার ঘটনা প্রতিরোধে সাধারণত বাকবিতণ্ডা বা হাতাহাতির ছবিই দেখা যায়। তবে এবার মহারাষ্ট্রের এক চলন্ত ট্রেনে ঘটে গেল এক অভূতপূর্ব ও ব্যতিক্রমী ঘটনা। যৌন হেনস্থার অভিযোগে এক যুবকের মুখে লিপস্টিক, মেকআপ মাখিয়ে এবং হাতে চুড়ি পরিয়ে অনন্য কায়দায় ‘গান্ধীগিরি’র পাঠ শেখালেন এক তরুণী। পুরো ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিড় ট্রেনে অসভ্যতা
ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের শেগাঁও থেকে বদনেড়াগামী ‘ভুসাভাল- ওয়ার্ধা প্যাসেঞ্জার’ (মেমু) ট্রেনে, অকোলা স্টেশন অতিক্রম করার সময়। ট্রেনটিতে ভিড় ছিল প্রচুর। অভিযোগ উঠেছে, সফর চলাকালীন এক যুবক ট্রেনের কামরায় এক তরুণীকে উদ্দেশ্যে করে অশালীন আচরণ ও কুপ্রস্তাব দেয়। প্রথমে ওই তরুণী তাকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও যুবকের হেনস্থা বাড়তে থাকলে তিনি চুপ না থেকে রুখে দাঁড়ান।
দেখুন ভিডিও
ट्रेन में युवती से छेड़छाड़ करना पड़ा भारी!
हाथों में पहनाई चूड़ियां और चेहरे पर लगाई लाली!
महाराष्ट्र के अकोला का वीडियो वायरल
ट्रेन में एक युवक ने कथित तौर पर एक युवती के साथ अश्लील हरकत करने की कोशिश की
युवती ने हिम्मत दिखाते हुए विरोध किया और कुछ ऐसे सबक सिखाया pic.twitter.com/x6peahbMj6
— Archana Pushpendra (@archanapsp) July 17, 2026
সবাই এগিয়ে আসে
তার প্রতিবাদ দেখে সঙ্গে সঙ্গেই সহযাত্রীরাও তরুণীর সমর্থনে এগিয়ে আসেন। এরপর তরুণী নিজের ব্যাগ থেকে মেকআপের সরঞ্জাম ও চুড়ি বের করে যুবকের মুখে মেকআপ মাখাতে শুরু করেন এবং দুই হাতে জোরপূর্বক চুড়ি পরিয়ে দেন। জনসমক্ষে নিজের এমন পরিস্থিতি দেখে চূড়ান্ত লজ্জিত ও হতবাক যুবকটি প্রতিবাদ জানানোর অবস্থাতেও ছিল না।
নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ পেতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই তরুণীর এই সাহস ও উপস্থিত বুদ্ধির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। অনেকেই বলছেন, "গণপরিবহনে নারীদের সুরক্ষিত রাখতে এবং ইভটিজারদের লজ্জায় ফেলতে এটাই সেরা প্রতীকী প্রতিবাদ।" তবে ঘটনার প্রশংসার পাশাপাশি আইন বিশেষজ্ঞরা ভিন্ন মতামতও প্রকাশ করেছেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, গণপরিবহনে বা প্রকাশ্যে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সঙ্গে সঙ্গে জিআরপি (GRP), আরপিএফ (RPF) কিংবা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোই নিরাপদ ও যথাযথ পদক্ষেপ। অন-স্পট এমন শাস্তির বদলে আইনি লড়াই চালানো উচিত বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।