Dharmendra Pradhan Resigns.

Dharmendra Pradhan Resigns:  দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগই ছিল মূল দাবি। ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং কেন্দ্র সরকারের মধ্যে নির্ধারিত তৃতীয় দফার বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিজের বিবৃতিতে তিনি জানান, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করাটাই তাঁর কাছে সর্বাগ্রে অগ্রাধিকার পেয়েছে।

পদত্যাগের ঘোষণায় কী বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান?

এক্স পোস্টে বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন:শিক্ষার্থীদের স্বার্থ: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন কোনো আইনি জটিলতা বা রাজনীতিতে আটকে না পড়ে, সে জন্যই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। "দেশবিরোধী শক্তি" রুখতে সতর্কতা: জন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের এই বিশাল গণবিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে কোনো "দেশবিরোধী শক্তি" যেন ফায়দা তুলতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মনোযোগ পড়াশোনায়: তিনি আরও যোগ করেন, শিক্ষার্থীদের উচিত আন্দোলনের পথে না থেকে পড়ালেখা এবং ক্যারিয়ার গড়ায় মনোযোগ দেওয়া।জন্তর মন্তরের বিক্ষোভ ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটপ্রবেশিকা পরীক্ষায় একাধিক অনিয়ম ও প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত বিতর্কের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিল্লির রাজনীতি।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ককরোচদের উচ্ছ্বাস

ককরোচদের মূল দাবি পূরণ

মূল দাবি পূরণ: 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে দিল্লির জন্তর মন্তরে শুরু হয়েছিল এই অবস্থান বিক্ষোভ। দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা ও উপযুক্ত জবাবদিহিতা। সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারী সংগঠনের চূড়ান্ত বৈঠকের ঠিক মুখেই শিক্ষামন্ত্রীর এই নাটকীয় ইস্তফা জাতীয় রাজনীতি ও ভারতের শিক্ষা প্রশাসনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মোড় এনে দিল।