Gyanesh Kumar vs CJP: জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর ৪৮ ঘণ্টার চরম সময়সীমা বেধে দিল আরশোলারা, উত্তপ্ত দেশের রাজনীতি
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বা চরম সময়সীমা বেঁধে দিল 'কাকরোচ জনতা পার্টি' (CJP)। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনি ইস্তফা না দিলে দেশজুড়ে গণবিক্ষোভের চরম হুশিয়ারি দিয়েছে আরশোলারা।
Gyanesh Kumar vs CJP: স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) বিতর্ক ঘিরে উত্তপ্ত দেশীয় রাজনীতি। এই আবহেই ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বা চরম সময়সীমা বেঁধে দিল 'কাকরোচ জনতা পার্টি' (CJP)। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনি ইস্তফা না দিলে দেশজুড়ে গণবিক্ষোভের চরম হুশিয়ারি দিয়েছে আরশোলারা।
বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, জ্ঞানেশ কুমার ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংস করছেন। সিজেপি প্রধানের দাবি, “জ্ঞানেশ কুমার দেশের বৃহত্তম দেশবিরোধী এবং গণতন্ত্রের জন্য সবথেকে বড় হুমকি। তাঁর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।” উল্লেখ্য, এগুলি সিজেপি নেতৃত্বের ব্যক্তিগত অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও আইনি বা প্রমাণিত অভিযোগ হিসেবে গণ্য হয়নি।
দে্খুন ভিডিও
CEC Gyanesh Kumar is the biggest Anti National in this country.
He should resign immediately. https://t.co/NXx68NShPm
— Cockroach Janta Party - CJP (@Cockroachisback) September 24, 2026
সিজেপির ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ও একগুচ্ছ দাবি
সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরসহ সারা দেশে ধর্না ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করা হবে। সংবাদিক সম্মেলনে সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস সংগঠনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি মুখ্য দাবি উত্থাপন করেন:
সিইসির পদত্যাগ ও ফৌজদারি পদক্ষেপ: জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ এবং তাঁর পাশাপাশি যেসব আধিকারিকের নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা।
ভোটার তালিকা ও নির্বাচন স্থগিত: চলতি এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বাতিল করে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন স্থগিত রাখা।
সুপ্রিম কোর্টের নজরদারি: এসআইআর সম্পর্কিত সমস্ত নথি ও ফাইল সুপ্রিম কোর্ট পরিচালিত একটি বিশেষ কমিটির হেফাজতে রাখা।
আইন বাতিল:নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন অবিলম্বে বাতিল করা।
কেন ঘনীভূত হচ্ছে এসআইআর বিতর্ক?
'দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এর একটি সাম্প্রতিক অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অপর দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী গত ১০ মাসে অন্ততঃ ১৪টি ক্ষেত্রে কমিশনারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যপদ্ধতি নিয়ে লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন।
বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু:
ফর্ম ৬-এর পরিবর্তন: নতুন ভোটারদের ক্ষেত্রে ফর্ম ৬-এর প্রক্রিয়ায় আনা পরিবর্তন।
নাম বর্জন ও সংযোজন: এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকা থেকে ব্যাপক হারে নাম বাদ দেওয়া ও পুনর্নবীকরণ।
ডেটাবেসের কেন্দ্রীয়করণ: ভোটারদের সংবেদনশীল তথ্য ও ডেটাবেস কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা।
এই বিস্ফোরক প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পরই কংগ্রেসসহ একাধিক বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছে। রাহুল গান্ধীসহ শীর্ষ বিরোধী নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ, সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত এবং এসআইআর প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
(The above story first appeared on LatestLY on Sep 25, 2026 07:30 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

