Mainpuri Minor Rape Case: অভিযুক্ত স্লিপার বাস ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ১১ মাসে চালান ৮টিই ওভার স্পিডিংয়ের!
উত্তরপ্রদেশের ম্যানপুরীর বাসিন্দা ১৭ বছরের এক নাবালিকাকে চলন্ত স্লিপার বাসে গণধর্ষণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে। কিন্তু তদন্ত যত এগোচ্ছে, এই নৃশংস অপরাধে ব্যবহৃত প্রাইভেট স্লিপার বাসটির বিষয়ে একে একে প্রকাশ্যে আসছে চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক তথ্য।
Mainpuri Minor Rape Case: উত্তরপ্রদেশের ম্যানপুরীর বাসিন্দা ১৭ বছরের এক নাবালিকাকে চলন্ত স্লিপার বাসে গণধর্ষণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে। কিন্তু তদন্ত যত এগোচ্ছে, এই নৃশংস অপরাধে ব্যবহৃত প্রাইভেট স্লিপার বাসটির বিষয়ে একে একে প্রকাশ্যে আসছে চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক তথ্য। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধে ব্যবহৃত বাসটি ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত ‘বিতর্কিত’।
বিস্ফোরক রেকর্ড
বাসটির বিতর্কিত ট্রাফিক ট্র্যাক রেকর্ড তদন্তকারী কর্মকর্তাদের হাতে আসা রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের (২০২৬) এপ্রিল মাসে নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) এই স্লিপার বাসটি মাত্র ১১ মাসের মধ্যে মোট ১১ বার ট্রাফিক চালান বা জরিমানার মুখে পড়েছে। তার মধ্যে ৮টি চালানই ছিল বিপজ্জনকভাবে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর (ওভার-স্পিডিং) জন্য। অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে পরপর এতগুলি ট্রাফিক আইন ভাঙার ঘটনা বাসটির বেপরোয়া চলাচলকেই চিহ্নিত করছে। বারবার নিয়ম ভাঙা সত্ত্বেও বাসটি কীভাবে রাজপথে অবাধে চলাচল করছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যে পরিবহণ ব্যবস্থা ও ট্রাফিক নজরদারির গাফিলতি ঘিরে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
দেখুন খবরটি
The sleeper bus allegedly used in the rape of a Mainpuri minor had a troubling traffic record, with its challan history showing repeated violations within months of its registration. The bus, registered in April 2026, received 11 traffic challans in around 11 months, including… pic.twitter.com/cwjVhFc5JJ
— IndiaToday (@IndiaToday) September 2, 2026
ঠিক কী ঘটেছিল ম্যানপুরীর নাবালিকার সঙ্গে?
ঘটনাটি ঘটেছিল গত ৪ আগস্টের রাতে। পড়াশোনা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে উত্তরপ্রদেশের ম্যানপুরী থেকে নয়ডায় নিজের তুতো বোনের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ওই নাবালিকা। তবে প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকারের মধ্যে সে ভুল করে গ্রেটার নয়ডার পরী চকে নেমে পড়ে।
কী ঘটেছিল
সহায়তার জন্য একটি খালি স্লিপার বাসকে সে হাত দেখালে, বাসের চালক ও খালাসি তাকে নয়ডার সেক্টর ৬৩-তে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে বাসে তোলে। কিন্তু বাসে ওঠার পরেই নাবালিকার ওপর নির্যাতন শুরু হয়। বাসের পর্দা টানা কেবিনের সুযোগ নিয়ে গাড়ি চালাতে চালাতেই চালক কুলদীপ এবং খালাসি সন্দীপ নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরী চক থেকে দিল্লির কাশ্মীরে গেট পর্যন্ত প্রায় ৪৭ কিলোমিটার পথ বাস চালিয়ে নিয়ে যায় তারা। এরপর দিল্লির রিং রোডের কাছে তাকে ফেলে রেখে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা।
সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে
পরবর্তীকালে সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে পুলিশ দিল্লির তিমারপুর এলাকা থেকে বাসটিকে বাজেয়াপ্ত করে এবং চালক ও খালাসি—দুজনকেই গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ধৃতদের বিরুদ্ধে ‘পকসো’ (POCSO) আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় মামলা দায়ের করে তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। এই ঘটনার মাঝেই ট্রাফিক চালানের নতুন তথ্য মামলাটিকে আরও জটিল ও গুরুতর করে তুলেছে।
(The above story first appeared on LatestLY on Sep 02, 2026 07:35 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

