EPFO-এর বড় সিদ্ধান্ত: আপৎকালীন সময়ে পিএফ ব্যালেন্স তোলার নিয়মে বিপুল ছাড়, জানুন বিস্তারিত

এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) সাধারণ চাকরিজীবীদের জন্য আংশিক টাকা তোলার নিয়ম অত্যন্ত সহজ ও শিথিল করেছে। জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা, আবাসন বা কর্মসংস্থানহীনতার মতো আর্থিক সংকটের সময়ে ব্যবহার করা যাবে।

EPFO-এর বড় সিদ্ধান্ত: আপৎকালীন সময়ে পিএফ ব্যালেন্স তোলার নিয়মে বিপুল ছাড়, জানুন বিস্তারিত
EPFO LOGO (Photo Credit: X)

এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) সাধারণ চাকরিজীবীদের জন্য আংশিক টাকা তোলার নিয়ম অত্যন্ত সহজ ও শিথিল করেছে। জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা, আবাসন বা কর্মসংস্থানহীনতার মতো আর্থিক সংকটের সময়ে গ্রাহকরা যাতে সহজেই নিজেদের জমানো টাকার বড় অংশ ব্যবহার করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই নতুন নির্দেশিকা আনা হয়েছে।

একক নিয়মে ৭৫% পর্যন্ত টাকা তোলার সুযোগ

নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্নজরুরি প্রয়োজনে সদস্যরা তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমানো মোট অর্থ থেকে সর্বোচ্চ ৭৫% পর্যন্ত তুলে নিতে পারবেন। বাকি ২৫% অর্থ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগ হিসেবেই জমা থাকবে। আগে পিএফ তোলার ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদের বিভিন্ন কঠিন শর্ত বা বছরভিত্তিক জটিল নিয়ম ছিল। এবার থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১ বছরের (১২ মাস) সদস্যপদ থাকলেই টাকা তোলার আবেদন করা যাবে।

১৩টি জটিল ক্যাটাগরি ভেঙে তৈরি হলো ৩টি সহজ বিভাগ

আগে বিভিন্ন আলাদা কারণে মোট ১৩টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে টাকা তুলতে হতো। কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক পুরো প্রক্রিয়াটি পুনর্বিন্যাস করে মাত্র ৩টি বিভাগে বিভক্ত করেছে:

জরুরি বা প্রয়োজনীয় চাহিদা: এই বিভাগের আওতায় চিকিৎসা, নিজস্ব বা সন্তানের শিক্ষা এবং বিবাহ সংক্রান্ত খরচের জন্য টাকা তোলা যাবে।

আবাসন সংক্রান্ত চাহিদা: নতুন বাড়ি বা জমি কেনা, বাড়ি নির্মাণ, সংস্কার এবং গৃহঋণ পরিশোধের জন্য এই বিভাগ প্রযোজ্য।

বিশেষ পরিস্থিতি: এই সুবিধায় গ্রাহক কোনো নির্দিষ্ট কারণ না দেখিয়েও অ্যাকাউন্টের মোট ব্যালেন্সের ৭৫% পর্যন্ত তুলে নিতে পারবেন।

এখন থেকে কর্মী ও নিয়োগকর্তার জমা করা অর্থ এবং তার অর্জিত সুদের পুরো অংশের ওপর ভিত্তি করে ৭৫%-এর পরিমাণ হিসাব করা হবে, যার ফলে প্রাপ্য অর্থের অংক আগের চেয়ে বেশ কিছুটা বাড়বে।

চাকরি হারালে কীভাবে মিলবে টাকা

নতুন নিয়মে চাকরি ছেড়ে দিলে বা কোনো কারণে কর্মহীন হয়ে পড়লে অবিলম্বে মোট পিএফ ব্যালেন্সের ৭৫% তুলে নেওয়া সম্ভব। তবে বাকি ২৫% অংশ তোলার জন্য টানা ১২ মাস (১ বছর) কর্মহীন থাকার শর্ত পূরণ করতে হবে। (আগের ১৯৫২ সালের নিয়মে চাকরি ছাড়ার দুই মাস পর পুরো টাকা তুলে নেওয়া যেত)।

চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিয়ের ক্ষেত্রে নতুন সীমা

চিকিৎসা খরচ: চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে টাকা তোলার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি সীমা রাখা হয়নি। সদস্য প্রয়োজনে একাধিকবার আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষা ও বিবাহ: পুরো চাকরিজীবনে শিক্ষার খরচের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বার এবং বিবাহ সংক্রান্ত কাজের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বার পর্যন্ত অগ্রিম টাকা তোলা যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য ইপিএফও-এর বার্ষিক সুদের হার নির্ধারিত হয়েছে ৮.২৫%। সরকার কর্তৃক ঘোষিত এই সুদ ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই কোটি কোটি সদস্যের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই ক্রেডিট করা হয়েছে।

(The above story first appeared on LatestLY on Aug 17, 2026 10:22 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).