Edible Oil Import Duty: ভোজ্য তেলে বিপুল শুল্ক ছাড় কেন্দ্রের: বৃহস্পতিবার থেকে কমল পাম, সয়াবিন ও সানফ্লাওয়ার অয়েলের দাম
আসন্ন উৎসবের মরশুমের মুখেই দেশের আমজনতার জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর নিয়ে এল কেন্দ্র সরকার। অপরিশোধিত (Crude) এবং পরিশোধিত (Refined) উভয় ধরনের ভোজ্য তেলের উপরেই প্রাথমিক আমদানি শুল্ক (Basic Customs Duty - BCD) উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর ঘোষণা করা হয়েছে।
Edible Oil Import Duty: আসন্ন উৎসবের মরশুমের মুখেই দেশের আমজনতার জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর নিয়ে এল কেন্দ্র সরকার। অপরিশোধিত (Crude) এবং পরিশোধিত (Refined) উভয় ধরনের ভোজ্য তেলের উপরেই প্রাথমিক আমদানি শুল্ক (Basic Customs Duty - BCD) উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে এই নতুন নির্দেশিকা। সরকারের এই পদক্ষেপে বাজারমূল্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অপরিশোধিত সূর্যমুখী তেলের (Crude Sunflower Oil) ক্ষেত্রে। এর ওপর আগে যে ১০% বিসিডি বা প্রাথমিক আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য ছিল, তা সম্পূর্ণ তুলে নিয়ে শূন্য (০%) করা হয়েছে।
নতুন ও পুরোনো শুল্কের হার
রাজস্ব বিভাগ (Department of Revenue) ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘Notification No. 31/2026-Customs’ নির্দেশিকার মাধ্যমে শুল্ক কাঠামোর এই পরিবর্তন নিশ্চিত করেছে।
অপরিশোধিত সয়াবিন তেল (Crude Soybean Oil): আমদানি শুল্ক ১০% থেকে কমিয়ে ৫% করা হয়েছে।
অপরিশোধিত পাম তেল (Crude Palm Oil): আমদানি শুল্ক ১০% থেকে কমিয়ে ৫% করা হয়েছে।
পরিশোধিত সয়াবিন তেল (Refined Soybean Oil): আমদানি শুল্ক ৩২.৫% থেকে কমিয়ে ২৭.৫% করা হয়েছে।
পরিশোধিত পাম তেল (Refined Palm Oil): আমদানি শুল্ক ৩২.৫% থেকে কমিয়ে ২৭.৫% করা হয়েছে।
অপরিশোধিত সূর্যমুখী তেল (Crude Sunflower Oil): ১০% শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফ করে ০% করা হয়েছে।
পরিশোধিত সূর্যমুখী তেল (Refined Sunflower Oil): শুল্ক ৩২.৫% থেকে কমিয়ে ২২.৫% করা হয়েছে।
কেন এই সিদ্ধান্ত নিল সরকার?
সামনেই একাধিক বড় উৎসব, যে সময়ে দেশে রান্নার তেলের চাহিদা অনেকটাই বেড়ে যায়। কিন্তু বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হচ্ছিল। উল্লেখ্য, ভারত তার মোট ভোজ্য তেলের চাহিদার এক বিশাল অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে পূরণ করে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে মূলত পাম তেল এবং আর্জেন্টিনা, রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে সয়াবিন ও সূর্যমুখী তেল আমদানি করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের এই নির্ভরতার কারণেই আমদানি শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র, যাতে আমদানি খরচ কমে এবং দেশের বাজারে রান্নার তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে।
খুচরো বাজারে কি সত্যিই কমবে তেলের দাম?
সরকারি শুল্ক ছাড়ের ফলে তেলের আমদানি খরচ কমবে ঠিকই, তবে সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে এর সুবিধা কতটা পৌঁছাবে তা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে:
আন্তর্জাতিক বাজারের দর: বিশ্ববাজারে তেলের মূল দামের ওঠানামা।
টাকার মান:মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় টাকার বিনিময় হার।
সরবরাহ শৃঙ্খল: রিফাইনিং বা পরিশোধন খরচ, পরিবহন খরচ এবং ব্যবসায়ী ও বিক্রেতাদের লভ্যাংশ।
তবে কেন্দ্র সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই শুল্ক ছাড়ের পুরো সুবিধা যাতে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উৎসবের মরশুমে তেলের শুল্ক হ্রাসের এই পদক্ষেপ মধ্যবিত্তের পকেটে খানিকটা স্বস্তি আনবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
(The above story first appeared on LatestLY on Sep 24, 2026 08:06 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

