Cyclone Arnab Landfall বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের ল্যান্ডফল, অন্ধ্র উপকূলে তাণ্ডব, নেই ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’ রূপ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি অবশেষে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (IMD) জানিয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১টার মধ্যে এটি কলিঙ্গপত্তনমের দক্ষিণ-পশ্চিমে স্থলভাগ স্পর্শ (ল্যান্ডফল) করে।

Cyclone Arnab Landfall বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের ল্যান্ডফল, অন্ধ্র উপকূলে তাণ্ডব, নেই ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’ রূপ
Image of 'Cyclone Arnab' shared by IMD (Photo Credits: X/@Indiametdept)

Cyclone Arnab Landfall বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি অবশেষে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (IMD) জানিয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১টার মধ্যে এটি কলিঙ্গপত্তনমের দক্ষিণ-পশ্চিমে স্থলভাগ স্পর্শ (ল্যান্ডফল) করে। স্থলভাগে প্রবেশের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫৫-৬৫ কিমি, যা দমকা হাওয়ার আকারে ৭৫ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

গভীর নিম্নচাপের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি অবশেষে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (IMD) জানিয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১টার মধ্যে এটি কলিঙ্গপত্তনমের দক্ষিণ-পশ্চিমে স্থলভাগ স্পর্শ বা ল্যান্ডফল করে। স্থলভাগে প্রবেশের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ার আকারে ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

এখন সেটি কোথায় অবস্থান করছে

২৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৫টার তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটি উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের ওপর অবস্থান করছিল। এটি কলিঙ্গপত্তম থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে, বিশাখাপত্তনম থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপূর্ব এবং ওড়িশার গোপালপুর থেকে ১৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কেন্দ্রীয়ভাবে অবস্থান করে। গত ছয় ঘণ্টায় এটি ঘণ্টায় ৩ কিলোমিটার ধীর গতিতে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টা এটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবেই উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে।

সোশ্য়াল মিডিয়ায় ঘূর্ণিঝড় গুজব

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা বিভিন্ন আলোচনায় এটিকে ঘূর্ণিঝড় বলা হলেও, আবহাওয়া দপ্তর স্পষ্ট করেছে যে সিস্টেমটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়নি। উত্তর ভারত মহাসাগরে পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্ধারিত ছিল 'অর্ণব', যা বাংলাদেশের দেওয়া নাম এবং বাংলায় এর অর্থ 'সমুদ্র'। তবে বাতাসের তীব্রতা ঘূর্ণিঝড়ের নির্ধারিত মানদণ্ডে না পৌঁছানোয় এটিকে 'অর্ণব' নামটি দেওয়া হয়নি।

ব্যাপক বৃষ্টিপাত অন্ধ্র ও ওডিশার উপকূলে

এই নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশায় ব্যাপক ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম, বিজয়নগরম, পার্বতীপুরম মান্যম, আল্লুরি সিতারামা রাজু এবং আনাকাপাল্লির মতো জেলাগুলোতে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এসব এলাকায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইছে। এছাড়া অন্ধ্র ও ওড়িশা উপকূলে উপকূলবর্তী হাওয়ার গতি ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি প্রশাসন

পরিস্থিতি মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ উদ্ধারকারী দলকে সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। অনেক জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং নিচু এলাকাগুলোতে আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

(The above story first appeared on LatestLY on Sep 24, 2026 10:13 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).