Teenage Killed His Family And Lived With Bodies: মা, সৎ-বাবাকে খুন করে মৃতদেহ কম্বলের নীচে নিয়ে বসবাস, কিশোরের নৃশংস কীর্তিতে কেঁপে উঠল পুলিশও

রিপোর্টে প্রকাশ, ওই কিশোর নিজের মা এবং সৎ বাবাকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর বুলেটের ক্ষত নিয়ে ওই মৃতদেহ যখন ঘরে পড়ে থাকে, কম্বল দিয়ে চাপা দেয়। দুটি মৃতদেহ কম্বল দিয়ে চাপা দেওয়ার পর গোটা এক সপ্তাহ ওই কিশোর সেখানে কাটিয়ে দেয় বলে জানা যায়।

Representational Image (Photo Credits Pixabay)

দিল্লি, ১ এপ্রিল: মা (Mother) এবং সৎ বাবাকে (Step Father) খুন করল কিশোর। ১৭ বছর বয়সী কিশোর মা এবং সৎ বাবাকে খুনের পর তাঁদের মৃতদেহের সঙ্গে কাটিয়ে দেয় এক সপ্তাহের বেশি সময়। পুলিশের (Police) তরফে এমন খবর প্রকাশ করা হয় সম্প্রতি। যেখানে জানানো হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে বছর ১৭-এর এক কিশোর নিজের মা এবং সৎ বাবাকে হত্যা করে। এরপর তাঁদের মৃতদেহের সঙ্গে এক সপ্তাহ কাটিয়ে ফেলে এক বাড়িতে।

রিপোর্টে প্রকাশ, ওই কিশোর নিজের মা এবং সৎ বাবাকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর বুলেটের ক্ষত নিয়ে ওই মৃতদেহ যখন ঘরে পড়ে থাকে, কম্বল দিয়ে চাপা দেয়। দুটি মৃতদেহ কম্বল দিয়ে চাপা দেওয়ার পর গোটা এক সপ্তাহ ওই কিশোর সেখানে কাটিয়ে দেয় বলে জানা যায়।

জানা যায়, ওই কিশোর গত ২ সপ্তাহ স্কুলে যাচ্ছি না। সেই সঙ্গে তার সৎ বাবার মোবাইল থেকে স্কুলকে একাধিক সন্দেহজনক মেসেজ পাঠানো হয়। যা দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষের মনে সন্দেহ এবং চিন্তা দানা বাধতে শুরু করে। এরপর তারাই পুলিশে খবর দেয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের ফোন পেয়ে পুলিশ ওই কিশোরের বাড়িতে হাজির হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে ওই কিশোরের বাড়িতে প্রবেশ করে। সেখানে হল ঘরে জামা কাপড় চাপা দেওয়া ছিল তার মায়ের মৃতদেহ। মায়ের গলা, কাধ-সহ শরীরের একাধিক জায়গায় ছিল বুলেটের ক্ষত। এরপর বাড়ির আরও একটি ঘর থেকে লেপের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয় ওই কিশোরের সৎ বাবার মৃতদেহ। যাঁর মাথায় ছিল গভীর বুলেটের ক্ষত।

মৃত্যুর পর এক সপ্তাহ ধরে ঘরে থাকায়, মৃতদেহ দুটিতে পচন শুরু হয়। পুলিশ সেগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় ওই কিশোরকে।

পুলিশি তদন্তে উঠে আসে, খুনের পর ওই কিশোর ১২ দিন ধরে ঘরের ভিতরে মা এবং সৎ বাবার দেহ লুকিয়ে রেখেছিল।

(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement