Sachin Tendulkar: বিশ্বকাপ জয়ের পর সতীর্থদের কাঁধে চেপে মাঠে ঘুরছিলেন, এর জন্য পুরস্কার জিতলেন সচিন তেন্ডুলকর!
বিশ্বকাপ জয়ের পর সতীর্থদের কাঁধে চেপে মাঠে ঘুরছেন সচিন (Photo: Twitter)

বার্লিন, ১৮ ফেব্রুয়ারি: ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের পর তাঁকে নিয়ে 'ল্যাপ অফ অনার'- দুই দশকের সেরা ক্রিকেট মুহূর্তের জন্য লরিয়াস পুরস্কার জিতলেন সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। বার্লিনে লরিয়াস বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদদের পুরস্কার মঞ্চে ইতিহাস গড়লেন মাস্টার ব্লাস্টার। দুই দশকের সেরা ক্রীড়া মুহূর্তের পুরস্কার জিতে নিলেন সচিন তেন্ডুলকর। ২০১১ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপ জেতার পর সচিনকে কাঁধে তুলে নিয়ে 'ল্যাপ অফ অনার' দিয়েছিলেন দলের বাকি সদস্যরা। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের পর সচিনকে নিয়ে 'ল্যাপ অফ অনার'- লরিয়াস সেরা স্পোর্টিং মোমেন্ট পুরস্কার (Laureus best sporting moment) জিতে নিয়েছে। বার্লিনে পুরস্কার মঞ্চে প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভ ওয়ার (Steve Waugh) হাত থেকে পুরস্কার নেন সচিন তেন্ড়ুলকর।

সারা পৃথিবীর ক্রিকেট ফ্যানদের থেকে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে ২০ বছরের মধ্যে সেরা ক্রিকেট মুহূর্তের সম্মান পেলেন সচিন ৷ তেন্ডুলকর ২০১১ সালে নিজের কেরিয়ার শেষ ও ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন ৷ মহেন্দ্র সিং ধোনির অধিনায়কত্বে নিজের স্বপপূরণের উড়ান ভরেছিলেন সচিন ৷ নুয়ান কুলশেখরার বলে ছয় মেরে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ধোনি ৷ আর পাঁচবারের বিশ্বকাপে যা হয়নি তাই হল ষষ্ঠবারের বিশ্বকাপে ৷ সেই বিশ্বকাপ জয়ের পরেই সতীর্থদের পিঠে চেপে মাঠ ঘুরেছিলেন মাস্টারব্লাস্টার সচিন। আরও পড়ুন: IPL 2020 Schedule of Kolkata Knight Riders: আইপিএলে কোন কোন দিনে খেলবে কেকেআর, জেনে নিন এক ক্লিকে

সচিন স্বাভাবিকভাবেই আবেগতাড়িত এই সম্মান পেয়ে ৷ তিনি বলেন , "এটা অভাবনীয় বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ কী হয় তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না ৷ কতবার এরকম হয় আপনি এরকম কোনও মঞ্চ পান যেখানে কোনও মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকে না ৷ খুব সময় হয় যখন গোটা দেশ আনন্দ করে ৷ এবং এটই মনে রাখার যে একটি খেলা কতটা শক্তিশালী এবং এটি আমাদের জীবনে কী যাদু করে। এখনও যখন আমি সেই দৃশ্য দেখি তখন সেটি আমার সঙ্গেই রয়েছে।"

ঘোষক বরিস বেকার বেকার তখন তেন্ডুলকরকে তার সেই সময়কার অনুভূতিগুলি সম্প্কে জানতে চান। জবাবে সচিন বলেন, "আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮৩ সালে, যখন আমি দশ বছর বয়সে ছিলাম। ভারত বিশ্বকাপ জিতেছিল। আমি তাৎপর্য বুঝতে পারিনি এবং সকলেই উদযাপন করার কারণে আমিও দলে যোগ দিয়েছিলাম। তবে কোথাও আমি জানতাম যে দেশের সাথে বিশেষ কিছু ঘটেছে এবং আমি একদিন এটি অনুধাবন করতে চেয়েছিলাম এবং এভাবেই আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত ছিল, বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে নিতে আমি ২২ বছর ধরে লড়াই করছিলাম। কিন্তু আমি কখনই আশা হারায়নি। আমি কেবল নিজের দেশবাসীর পক্ষে এই ট্রফি হাতে তুলেছিলাম।"