National Family Health Survey: এই প্রথম জনসংখ্যার নিরিখে দেশে পুরুষদের তুলনায় বাড়ল নারীর সংখ্যা
Representational Purpose Only (Photo Credits: NeedPix)

নতুন দিল্লি, ২৫ নভেম্বর: এই প্রথম জনসংখ্যার নিরিখে দেশে পুরুষদের (Men) তুলনায় বাড়ল নারীর (Women) সংখ্যা। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (National Family Health Survey-5)-র পঞ্চম সংস্করণ ভারতে জনসংখ্যাগত (Demographic) পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। ১৯৯২ সালে ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নারী অনুপাত পুরুষদের ছাড়িয়ে গেছে। সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে ১ হাজার জন পুরুষে নারীর অনুপাত ১ হাজার ২০ জন। ২০১৫-১৬ সালের সমীক্ষায় এই অনুপাত ছিল প্রতি ১ হাজার পুরুষে ৯৯১ জন নারী। নীতি আয়োগের সদস্য বিনোদ কুমার পাল ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ বুধবার ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে প্রকাশ করেন।

ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভের পরিসর খুব ছোট হলেও জেলা পর্যায়ে পরিচালিত হয়। যা ভবিষ্যতে নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকরী। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের জন্মের সময় লিঙ্গ অনুপাত বেড়েছে। ২০১৫-১৬ সালের প্রতি ১ হাজার পুরুষে ৯১৯ জন থেকে বেড়ে হয়েছে ৯২৯। বেশিরভাগ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পুরুষদের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেড়েছে। যেসব রাজ্যে পুরুষদের তুলনায় নারীর সংখ্যা কম ছিল, সেই রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে গুজরাত, মহারাষ্ট্র, অরুণাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, জম্মু ও কাশ্মীর, চণ্ডীগড়, দিল্লি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং লাদাখ। যদিও এই সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে নারীদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে। আরও পড়ুন: COVID19: ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা, দক্ষিণ আফ্রিকায় মিলল সংক্রমণে 'ওস্তাদ' নয়া প্রজাতির খোঁজ

এনএফএইচএস (NFHS-5) ডেটার একটি রাজ্য-ভিত্তিক বিভাজন দেখায় যে ভারত তার জনসংখ্যা স্থিতিশীল করার পথে রয়েছে। বেশিরভাগ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মোট প্রজনন হার হয়েছে ২। অর্থাৎ একজন মহিলা সারাজীবনে গড়ে ২টি সন্তান ধারণ করেন। মাত্র ছ'টি রাজ্য-বিহার, মেঘালয়, মণিপুর, ঝাড়খণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশে মোট প্রজনন হার ২-র উপরে। বিহারে মোট ফার্টিলিটি হার ৩, যদিও তা আগের থেকে কমেছে। কন্ট্রাসেপটিভ প্রিভেলেন্ট রেট (সিপিআর) সর্বভারতীয় স্তরে পঞ্জাব ছাড়া দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষা-ভূক্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৫৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৭ শতাংশ। সর্বভারতীয় স্তরে হাসপাতালে জন্মদানের হার ৭৯ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৯ শতাংশ। পুদুচেরি ও তামিলনাড়ুতে হাসপাতালে প্রসবের হার ১০০ শতাংশ। সেইসঙ্গে দ্বিতীয় স্তরের সমীক্ষাভূক্ত সাত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি এই হার ৯০ শতাংশের বেশি।