CJI Office Comes Under RTI Act: প্রধান বিচারপতির অফিস তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতাভুক্ত, জানাল সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিমকোর্ট( Photo Credit-PTI)

নতুন দিল্লি, ১৩ নভেম্বর: বিচারবিভাগের স্বচ্চতার ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। প্রধান বিচারপতির অফিস (CJI Office) তথ্য জানার অধিকার আইনের (RTI Act) আওতায় আসবে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। এক্ষেত্রে দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) আগের রায় বহাল রেখেছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-র বেঞ্চ বলেছে, বিচারপতিদেরও কিছু রক্ষাকবজ থাকা প্রয়োজন। আদালত বলেছে, "প্রধান বিচারপতি সরকারি কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ারভুক্ত। তথ্যের অধিকার এবং গোপনীয়তার অধিকার দুটিই একই মুদ্রার দুটি দিক।" বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর (Chief Justice Ranjan Gogoi) নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যর সাংবিধানিক বেঞ্চ৷ তিন বিচারপতি তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় আনার পক্ষে রায় দেন, বাকি দু'জন ভিন্ন মত পোষণ করেন।

এই বেঞ্চে রঞ্জন গগৈ ছাড়াও ছিলেন এন ভি রামন, ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, দীপক গুপ্তা এবং সঞ্জীব খান্না৷ এর আগে ২০১০ সালে দিল্লি হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত মামলার রায়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির পদকে তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছিল৷ দিল্লি হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। আরও পড়ুন: Karnataka: বরখাস্তের সিদ্ধান্ত বহাল, তবে উপ নির্বাচনে লড়তে পারবেন কর্ণাটকের ১৭ বিধায়ক; নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

৪ এপ্রিল এই মামলার রায়দান স্থগিত রাখে সুপ্রিম কোর্টের ৫ বিচারপতির বেঞ্চ। আজকের রায়ে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ ২০১০ সালে দিল্লি হাইকোর্টের দেওয়া রায়কেই মান্যতা দিয়েছে। বিচারব্যবস্থাকে তথ্যের অধিকার সংক্রান্ত আইনের আওতায় আনার পক্ষে মত দেন ৩ জন বিচারপতি৷ বিপক্ষে মত দেন ২ বিচারপতি। আজকের রায়ে শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ বলেছে, "প্রধান বিচারপতি সরকারি কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ারভুক্ত। তথ্যের অধিকার এবং গোপনীয়তার অধিকার দুটিই একই মুদ্রার দুটি দিক।" তথ্য জানার অধিকার অনুযায়ী, যে কোনও সরকারি দফতর বা কর্তৃপক্ষ তথ্যের অধিকার আইনের আওতাভুক্ত। এই সরকারি দফতর ও কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে তথ্য জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।